ঢাকার বাইজি

ইতিহাসের বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এ শহরে এসেছে, বসবাস করেছে ; এমন কী শাসনও করেছে। এই স্রোতধারায় ঢাকার পরতে পরতে এসেছে নানা পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন। সমস্ত কিছুকে টপকে টিকে গেছে কিছু সংস্কার, কিছু পরিবর্তন, কিছু নতুনত্ব। সংস্কৃতিতে অনেক অনুসঙ্গ যেমন যুক্ত হয়েছে তেমনই আবার হারিয়ে গেছে অনেক কিছু। যা হয়ত কখনো ছিল অনশ্বিকার্য। এমনই ধুলোজমা ইতিহাসের টানপোড়ানে মোড়া এই শহর ঢাকা। যার অনেক কিছু হয়ত আর কখনই জানা যাবে না। এ জন্য আক্ষেপ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এখনো যতটা জানা সম্ভব তাকে অবশ্যই সংগ্রহ করা উচিত। নতুবা সবই হারিয়ে যাবে।

আমাদের অবহেলায় ইতিহাসের পাতা থেকে এ শহরের অনেক কিছুই ইতিমধ্যে মুছে গেছে। এই শহরের মানুষ অনেক ধরনের বিচিত্র পোশাক-আশাক পরত কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে তা হয়ে গেছে ইতিহাস। আদিতে এই ভূমিতে মানুষ কোন্ ধরণের পোশাক পরত এই জিজ্ঞাসা নিয়েই এই পরিচ্ছেদ।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়- আদিতে এ শহরের পোশাক বলতে নারীদের শাড়ি আর পুরুষের ধুতি ছিল উল্লেখযোগ্য। শহরের নিম্নবিত্তের পুরুষরা বেশিরভাগ সময় থাকত খালি গায়ে ; কোমরে জড়ান থাকত ধুতি। বিশেষ অনুষ্ঠান বা নিমন্ত্রণে যাওয়ার সময় পরিধান করত পাঞ্জাবী বা পাঞ্জাবী জাতীয় শার্ট। পরবর্তীতে মুসলমানদের কাউকে কাউকে অবশ্য লুঙ্গিও পরতে দেখা যায়। শহরের বেশিরভাগ মানুষের মাথায় থাকত পাগড়ি বা টুপি। শীতের সময় শরীরের উপরের অংশে জড়িয়ে নিত শাল কিংবা চাদর। নিম্নবিত্ত নারীদের ব্লাউজ পরার রীতির প্রচলন ঘটে অনেক পরে। এক প্যাঁচে শাড়িই ছিল তাদের একমাত্র সম্বল।

মীর মোবাশ্বের আলী তার সমতটে সংসদ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন- “আগে এলাকার (বাংলা) লোকেরা সেলাই ছাড়া পোশাক পরত। মুসলমানরা প্রথম সেলাই করা পোশাক পরতে শেখায়।”

যতীন্দ্রমোহন রায় বিশ শতকে লেখা তার ঢাকার বিবরণ গ্রন্থে বলেছেন, “লুঙ্গি মুসলমানেরা সবসময়ই ব্যবহার করে থাকে।”

ইতিহাসে ঢাকার পরিচিতি বস্ত্র শিল্পের মাধ্যমে হলেও সেসব উৎকৃষ্ট মানের মসলিন বস্ত্র পরিধান করার ক্ষমতা এ অঞ্চলের মানুষের ছিল না। তবে ঢাকায় প্রস্তুতকৃত সাধারণ মানের মসলিন বা সূক্ষ্ম কাপড়ে আসল বা কৃত্রিম জরি/বাদলার কাজ করা গোলাবতন মসলিন শহরের সম্ভ্রান্ত মুসলমান নারীরা পরিধান করত। নারীদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ছিল এই গোলাবতন শাড়ি। হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের হাতে থাকত শাখা-পলা, সিঁথিতে সিঁদুর। শহরের ধনাঢ্য পুরুষরা পাঞ্জাবী-শেরওয়ানীর সঙ্গে পায়জামা পরত। সে সময় চোস্ ও ঢোলা উভয় পায়জামাই পরত শহরের অভিজাত পুরুষরা।

এ অঞ্চলের শাসকবর্গ সবসময়ই জাকজমক পোশাক পরতে পছন্দ করত। প্রাপ্ত কিছু স্থিরচিত্র থেকে সেরকমই ধারণা করা যায়। স্বাধীন সুলতানী শাসনামলে বাংলার বার ভূঁইয়াদের পোশাক ছিল আচকান, শেরওয়ানী, পায়জামা, নাগরার মত জুতা আর মাথায় পাগড়ি ; আচকানের নিচের অংশ অনেক সময় থাকত বহু কুচি দেয়া ঘাগড়ার মতো স্কার্ট, কোমরে সূক্ষ্ম কাপড়ের কোমড়বন্ধ। তাদের পোশাকগুলো জরির কারুকাজ করা থাকত বলেও ধারণা করা হয়। পোষাকের সঙ্গে অলঙ্কার পরার রেওয়াজ ছিল সে সময়।

একেক সময় একেক শাসকের বেলায় পাগড়ি ও অলঙ্কারে পরিবর্তন আসলেও প্রায় সকলেই রত্ন-পাথরাদির অলঙ্কার পরিধান করত। এসব অলঙ্কারের মধ্যে প্রধান ছিল গলার মালা, হাতের আংটি, হাতের বাজুবন্ধ ইত্যাদি। অনেক সময় তাদের পাগড়িতেও বিভিন্ন ধরণের ও আকারের মনি-মুক্তার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। কোন কোন শাসকের পাগড়িতে পাখির পালকের ব্যবহারও লক্ষ্যণীয়।

পরবর্তী মোগল শাসনামলে ঢাকার পুরুষদের সৌখিন পোষাকের মধ্যে ছিল সিল্ক ও মসলিনের চাপকান, চোগা, পায়জামা, পাঞ্জাবী, শেরওয়ানী, আংগরাখা, কটি ইত্যাদি। অবশ্য শাসক শ্রেণীর হাতে যুদ্ধাস্ত্র অর্থাৎ তলোয়ার বা ছুরি জাতিয় অস্ত্র সবসময় থাকত। সঙ্গে রাখা অস্ত্রটিও যেন ছিল পোষাকেরই একটি অংশ। খাপে মোড়ান ধারালো অস্ত্রগুলো দেখেই নির্ণয় করা যেত তাদের প্রশাসনিক ক্ষমতা বা অবস্থান। আর সাধারণ মানুষের পোশাকের মধ্যে ছিল লুঙ্গি, কোর্তা, টুপি ইত্যাদি। সুবেদার, নবাব ও ধনাঢ্য পরিবারের নারীদের পোশাকের মধ্যে ছিল মসলিন, জামদানি, সিল্কের পোশাক ইত্যাদি। আর স্থানীয় নারীরা ঘাঘরা, শাড়ি, ব্রোকেডর সালোয়ার কামিজ।

মোগল শাসনামলে ঢাকার নায়েব নাজিমদের দামী পোশাকের মধ্যে থাকত মূল্যবান সব রত্ন। তারা মাথায় পরত ভিন্ন আকার আকৃতির বাহির সব পাগড়ি। নায়েব নাজিম নুসরাত জঙের একটি ছবিতে দেখা যায় অনেকটা অর্ধ-হাড়ির মত একটি পাগড়ি পরেছেন তিনি। তাতে রয়েছে জরির বাহারি কারুকাজ। জেসারত খাঁর পাগড়িতে পালকের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তার পাগড়িটিও বেশ কারুকার্যময় ও রত্নখচিত।

নবাব শামসউদ্দৌলার এক ছবিতে দেখা যায় তার মাথায় কারুকার্যময় টায়ারের আকৃতির পাগড়ি ; পাগড়ির মাঝের অংশে টিবির মতো উঁচু গোলাকার অংশ। অন্যদিকে উনিশ শতকে ঢাকার অন্যতম ধনাঢ্য জমিদার মীর আশরাফ আলীর একটি স্থিরচিত্রে দেখা যায় তার মাথায় অনেকটা টায়ারের মত একটি পাগড়ি। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় ঢাকা মাদ্রাসার সুপারেন্টেন্ড ওবায়দুল্লাহ আল উবেদী এক স্থিরচিত্রে দেখা যায় বিশাল মাপের নরম কাপড়ের পাঁকানো পাগড়ি।

ঢাকার শাসকদের স্থিরচিত্র বা পেইন্টিংগুলোতে দেখা যায় তাদের গলায় পরিহিত অলঙ্কার। অনেকে দুটি-একটি মালা পরলেও অনেকে বেশকিছু মতির মালা একসাথে পরত। তাদের পরিহিত মালা বেশ মূল্যবান হত। আভিজ্যাতের ক্রমবিন্যাসে মালার মধ্যে মূল্যবান সব রত্ন লাগাতেন তারা।

মোগল শাসনামলের শেষ দিকে ইংরেজ শাসনামলের শুরুতে ইংরেজদের দেয়া পদক, মেডেল গলায় ঝুলিয়ে ছবি তুলতে দেখা যায় স্থানীয় মোগল শাসক ও ইংরেজদের আস্থাভাবন ব্যক্তিবর্গ। আঠার শতকে ডয়েলীর আঁকা ছবিতে দেখা যায় পাঞ্জাবী-পায়জামা ও মাথায় পাগড়ি পরা একটি ব্যক্তির কোমরে কাপড়ের কোমরবদ্ধ পরা।

ইংরেজ শাসনামলে নবাব পরিবারের প্রধান পুরুষরা মাথায় পালক বিশিষ্ট টুপি পরত। তবে কারো কারো পাগড়িতে পালকের স্থলে দেখা যায় মুক্তা সহ বিভিন্ন মূল্যবান পাথর। অনেকে পাগড়ির পরিবর্তে কারুকার্যময় টুপি আর আচকানের পরিবর্তে শেরওয়ানীও পরত।

জড়ির কারুকাজ করা আচকানগুলো সাধারণত হত গাঢ় রঙের ; এসব পোশাক বেশিরভাগই ছিল সবুজ, লাল ও নীল বর্ণের। মাথায় টুপি, আচকান, পায়জামা, ওভার কোর্ট, দামী সু জুতার সঙ্গে কোমড় বাঁধত মূল্যবান বেল্ট দিয়ে। পরবর্তী ইংরেজ ব্রিটিশ শাসনামলে নবাব পরিবারের সদস্যদের দেখা যায় পায়জামার পরিবর্তে প্যান্ট পড়তে। ঢাকার নবাব পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও পড়ত কারুকার্যময় মূল্যবান সব পোশাক। অন্দরমহলের নারীরা প্রধানত শাড়ি-ব্লাউজ পড়ত। অল্প বয়সী নারীরা ইউরোপীয় স্টাইলের ফ্রক, গাউন পরত।

ইংরেজ শাসনামলে ঢাকার নবাববাড়ির কর্মচারীদের সাধারণত সামনে বোতাম দেয়া কোমড় পর্যন্ত শেরওয়ানীর মত পোশাক, মাথায় ছোট পাগড়ি আর ধুতি পরতে দেখা যায়। অন্দরমহলের কর্মচারীদের অনেককে পাঞ্জাবি, লুঙ্গি, মাথায় টুপি আবার কাউকে কাউকে ঢোলা পায়জামার সঙ্গে হাঁটু অবদি নেমে যাওয়া সামনে কাটা শেরওয়ানী মাথায় ছোট টুপি পড়তে দেখা যায় বিভিন্ন স্থিরচিত্রে। বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের মাথার টুপি বা পাগড়ি ছিল আলাদা আলাদা। নবাববাড়ির গার্ডদেরও দেখায় যায় ভিন্ন পোশাকে।

ঢাকার সিভিল সার্জন জেমস টেলরের বিবরণীতে (১৮৪০) ঢাকার পোশাক পরিচ্ছেদ- “এখানে প্রায় সকলেই দুই বা ততোধিক স্বতন্ত্র বস্ত্র বা পরিচ্ছদ ব্যতিরেকে চলতে দেখা যায়। শহরে ছাড়া চামড়ার জুতা খুব বেশি একটা ব্যবহার করে না। গ্রামে ‘কাঠের জুতা’ বা ‘খড়ম’ ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত একটি কাঠের বোতম লাগিয়ে কিছুটা স্যান্ডেলের ন্যায় ব্যবহার করা হয়, অথবা পায়ের পাতা ও গোড়ালির চতুর্দিকে একটি ফিতা বাঁধা থাকে।

এ কাজের জন্য মুসলমানগণ এক টুকরা চামড়ার পাতলা ফালি এবং হিন্দুরা শণ বা সুতার দড়ি ব্যবহার করে। একমাত্র আঁচলের রং ছাড়া হিন্দু-মুসলমান রমণীরা প্রায় একই ধরনের বস্ত্র পরিধান করে। হিন্দু রমণীরা পরে লালরঙা আচঁলের শাড়ি, অন্যদিকে মুসলমান রমণীরা কালো রঙের।”

খড়ম প্রসঙ্গে শফি বিক্রমপুরী তার ঢাকায় পঞ্চাশ বছর গ্রন্থে লিখেছেন- “…প্রত্যেক বাড়ীতে ব্যবহারের জন্য কাঠের খড়ম চাহিদা বেশী ছিল। খড়ম দুই রকমের ছিল। বইল খড়ম ও ফিতা খড়ম। ফিতা খড়মের চাহিদা বেশী ছিল। অফিস-আদালত, ব্যবসা কেন্দ্র ছাড়া প্রায় সবাই সব জায়গায় খড়ম ব্যবহার করতো। …মেয়েদের জন্য খড়ম ছাড়াও চটি জুতা ছিল।”

ঢাকার বিভিন্ন পেশাজীবী, ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পোশাকও ছিল ভিন্ন। তবে তাদের বেশিরভাগের বিবরণ বিশদ ভাবে জানা যায় না। আবার বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উৎসবে ঢাকাবাসী পরত নানা রকমের পোশাক। শহরের উচ্চবিত্তরা অনেকেই আবার সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে সঙ্গে রাখত ছড়ি। অনেকে আবার ইংরেজ সরকার কর্তৃক ছড়ি রাখার অনুমতিও লাভ করত।

ঢাকার উকিলরা কাল রঙের কোর্ট পরলেও সঙ্গে থাকত ধুতি মাথায় টুপি আর কারো কারো হাতে ছড়ি। একসময় ঢাকার প্রায় সকল পেশাজীবীরাই মাথায় টুপি বা পাগড়ি পরত। তবে তা সম্প্রদায়, জাত, পেশা ও সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত করা ছিল। মাথার টুপি দেখেই কে কোন পেশার বা সম্প্রদায়ের তা নির্ণয় করা যেত। আর বুক পকেটে চেইন লাগানো ঘড়ি রাখা ছিল তাদের আভিজ্যাতের আরেকটি প্রতীক।

আশরাফ-উজ-জামান খান তার ঐতিহাসিক ঢাকা মহানগরীর সামাজিক অনুষ্ঠান-উৎসব এবং অবসর বিনোদন ব্যবস্থা প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন- “মুঘল যুগেও ঢাকার কারিগরী ব্যবসায়ে হিন্দুদের আধিপত্য ছিল, বয়ন শিল্প এবং সোনা রূপার কাজে হিন্দু কারিগররাই বেশি সুদক্ষ হয়ে উঠেছিল। তবে পোশাকে জরি-বুটিকে কাজে কাটা পোশাক তৈরিতে এবং হাতির দাঁতের শিল্পকর্মে মুসলমান কারিগরই নিয়োজিত ছিল বেশি।”

আবার শহরের বারবণিতা ও বাঈজিদের ছিল ভিন্ন ভিন্ন পোশাক। তারা খদ্দেরকে আকৃষ্ট করতে উজ্জ্বল বর্ণের চমকি বা জড়ি দেয়া পোশাক পরতে পছন্দ করত। সঙ্গে থাকত নানান বাহারি অলঙ্কার। তারা বিশেষ ভঙ্গিতে ওড়না জড়াত। তাদের সঙ্গে থাকা বাদকদলও পরত নানা বর্ণের উজ্জ্বল সব বাহারি পোশাক। ঢাকার বেশ কয়েকজন বাঈজি ছিলেন বেশ ধনাঢ্য। তাদের পোশাক-আশাকেই তা ফুটে উঠতো।

জুলেখা হক তার ঢাকার অলঙ্কার শিল্প প্রবন্ধে লিখেছেন- “বিত্তশালী মুসলমান পরিবারের নারীদের সাধারণ পোশাক শাড়ি হলেও আনুষ্ঠানিক ও উৎসবাদিতে উত্তর ভারতীয় পোশাকের চলন ছিলো। বিশেষত বিয়ের সময় পেশওয়াজই ছিল কনের পোশাক এবং এর বোতামগুলি প্রায়ই মূল্যবান ধাতুতে মিনা ও জড়োয়া দিয়ে প্রস্তুত হোত।

…পোশাকেও দেখা যেত রক্ষণশীলতা। দেশের এ অংশে হিন্দু রমনীরা পরদা পালনে সচেষ্ট না হলেও মুসলমান রমনীরা তা কঠোরভাবে পালন করত।”

ঢাকার প্রায় মুসলমান শাসক, শহরের ধানাঢ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরই বিচিত্র রকমের গোঁফ দেখতে পাওয়া যায়। তারা গোঁফের প্রতি বাড়তি যত্ন নিত তা তাদের স্থিরচিত্র দেখলে সহজেই অনুমান করা যায়। অনেকে গোঁফের দুই প্রান্ত সুঁচালো করে রাখতে পছন্দ করত। জানা যায়, ব্রিটিশ সরকারের কাছে এই গোঁফের জন্য কেউ কেউ মাসিক ভাতাও পেতেন।

ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢাকায় এসেছে বহু পর্যটক, ধর্মযাজক, বিদেশী বণিক, বিভিন্ন কোম্পানীর কর্মকর্তা-কর্মচারী, ভাগ্যান্বেষী মানুষ। ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে ঢাকায় এসেছে বিচিত্র সব পোশাক। তবে ঢাকার সাধারণ মানুষ ভারতবর্ষ ও আরবদেশগুলো থেকে আগত মানুষের পোশাকের অনুকরণ করলেও ইউরোপীয় পোশাকের প্রভাব তাদেরকে আচ্ছাদিত করতে সময় লেগেছে বহুকাল।

মূর্শেদূল মেরাজ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

13 − 8 =

এই শহর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে তথ্য-উপাত্ত্য সংগ্রহ করেছি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তা নিয়ে কিছু একটা করবার ইচ্ছে ছিল বহুদিন ধরেই। নানা…

error: Content is protected !!