ঢাকার মিষ্টি

ঢাকাবাসী চিরকালেই উৎসব প্রিয়। কিংবদন্তি অনুযায়ী, ১৬০৮ বা ১৬১০ সালে ইসলাম খানের নৌকা যখন বুড়িগঙ্গা নদী তীরে ভিড়ে; সে সময় তিনি বেশ কিছু ঢাকীকে নদী তীরে ঢাক বাজাতে দেখতে পান।

ঢাকার পোলাও

ঢাকার উল্লেখযোগ্য পোলাও ছিল- মোরগ পোলাও, বুনদিয়া পোলাও, মাছ পোলাও, ডিম পোলাও, মাহি পোলাও, বয়জা পোলাও, সেমী পোলাও, শরবত পোলাও, নারগেসী পোলাও যীর বিরিয়ানী প্রভৃতি। এরমধ্যে মাহি পোলাও রোহিত ও ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না করা হতো।

ঢাকার রুটি-পরটা

পরবর্তীতে লাল পরটা নামের পরিচিত এক ধরনের শক্ত পরটার প্রচলন শুরু হয়। লাল পরটা খাওয়া হতো বুন্দিয়ার সঙ্গে। লুচি সাদৃশ্য আরেক ধরনের পরটা পাওয়া যেত মিষ্টান্ন বিক্রেতাদের কাছে। এই পরটা স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিল রীলের পরটা নামে। বুন্দিয়া, কিমা ভরেও রীলের পরটা বিক্রি করা হতো। তবে কিমা ভরা পরটা শুধু রমজান মাস-এ (আরবি মাস) পাওয়া যেত।

ঢাকার খাবার-দাবার

ভোজনরসিক হিসেবে বাঙালীর বেশ নামডাক আজনের নয়। প্রচলিত আছে বাঙালী খাবারের তালিকায় নাকি পুষ্টিকর খাবারের চেয়ে মজাদার খাবারকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তবে একসময়ের ‘মাছে-ভাতে বাঙালী’ সময়ের স্রোতে গা ডুবিয়ে পছন্দের খাবারের তালিকায় যুক্ত করে নিয়েছে ভাঁজা-পোড়া-তেল চপচপে খাবার।

এই শহর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে তথ্য-উপাত্ত্য সংগ্রহ করেছি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তা নিয়ে কিছু একটা করবার ইচ্ছে ছিল বহুদিন ধরেই। নানা…

error: Content is protected !!