ঢাকার অর্থনৈতিক অবস্থা

জলপথে যোগাযোগের বিশেষ সুবিধা থাকায় আদিকাল থেকেই ঢাকার বিশেষ বাণিজ্যিক গুরুত্ব ছিল। সতের শতকে ঢাকা মোগল বাংলার রাজধানী হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্বও বাড়তে শুরু করে। রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার বাণিজ্যিক পরিধিও ছড়িয়ে পরে বহুদূর পর্যন্ত। 

‘ঢাকা বায়ান্ন বাজার তেপ্পান্ন গলি’ নামে পরিচিত থাকায় ঢাকার অতীত বাণিজ্যিক গুরুত্ব সম্পর্কে সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই। জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই ঢাকার সঙ্গে চীন, তুরস্ক, আরব, ইথিওপিয়া, পারস্য (ইরান), ইতালি, স্পেন, সুরাট, পেগু, লেঙ্গুইডক প্রভৃতি স্থানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।

মোগল বাংলার রাজধানী হবার পর থেকে শহরের বাংলাবাজার, ফরাশগঞ্জ, তাঁতিবাজার, শাঁখারিবাজার, ইসলামপুর, চকবাজার প্রভৃতি স্থান ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে ওঠতে শুরু করে।

বিভিন্ন সময় ঢাকায় আগত বিদেশী পর্যটকদের লেখানী থেকে জানা যায় ঢাকায় দ্রব্যমূল্যের দাম সবসময়ই ছিল সহনীয় পর্যায়ে। অনেক ক্ষেত্রে দ্রব্যমূল্যের দাম এত কম ছিল যে পর্যটকরাও বিস্ময় প্রকাশ করেন। বাংলার সুবেদার যুবরাজ শাহ সুজার শাসনকালে ১৬৪০ সালে পর্তুগিজ পর্যটক (মতান্তরে, সন্ন্যাসী) সেবাস্টিন মানরিক ঢাকায় আসেন।

তার বর্ণনায় তৎকালীন ঢাকার বাণিজ্যিক সমৃদ্ধির কথা উঠে আসে। তিনি লিখেছেন- “ঢাকায় বহু বিদেশী বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এসে অধিক মুনাফার লোভে অনেকে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলে। এদের বাণিজ্যিক উপকরণ মূলত এদেশের উর্বর ভূমির উৎপন্ন ফসল।

স্থানীয় শটারি ও অন্য ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরা টাকা না গুণে ওজন করে নেয়। বস্ত্র এখানকার সবচেয়ে লাভজনক পণ্য। এখানকার উৎপাদিত অতি সূক্ষ্ম মসলিন খোরাসান, পারস্য তুরস্ক সহ অন্যান্য দেশে রপ্তানি হয়। কুক্কুটগুলো (বিভিন্ন পাখি) নামেমাত্র মূল্যে বিক্রয় হত।

প্রতিবছর জাহাজ ভর্তি দ্রব্য রপ্তানি হয় ; এরমধ্যে চাল, চিনি, মাখন, মোম ছিল প্রধান। এ নগর থেকে সম্রাট ও অন্যান্য মোগল শাসনকর্তারা যে পরিমাণ আর্থিক সুবিধা লাভ করে তা অবিশ্বাস্য। এখানে মাত্র ৪ আনায় ২০টি ঘুঘু ও পনেরটি বড় কবুতর পাওয়া যায়।”

মুসলমান শাসনামলে ঢাকার প্রধান বাণিজ্যিক পণ্য ছিল মসলিন। ইংরেজ ও ইউরোপীয় কোম্পানীগুলো ঢাকা থেকে বিশ্বের বহু দেশে এই মসলিন রপ্তানি করত। সে সময়ও ঢাকার স্থলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত ছিল না। তবে জলপথের যোগাযোগ ছিল সর্বোৎকৃষ্ট। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া বুড়িগঙ্গা নদী, দোলাই নদী আর মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা ধোলাই খাল দিয়ে ছোট-বড় নৌকা যোগে বণিকরা পণ্য পরিবহন করত।

১৬৬৬ সালে ঢাকায় আগত ফ্রান্সের পর্যটক টেভার্নিয়ার বলেছেল- “পারস্যের দূত মহম্মদ আলিবেগ ভারতবর্ষ হতে ভ্রমণ শেষে ফিরে যাওয়ার সময় পারস্যের সাহকে উপহার দেয়ার জন্য ৬০ হাত দীর্ঘ একটি মসলিন একটি অতি ক্ষুদ্র নারিকেলের খোলের ভেতরে করে নিয়ে যান।

জানা যায়, ঢাকায় প্রস্তুতকৃত ১ গজ প্রস্থ ও ২০ হাত লম্বা একটি মসলিন খণ্ড একটি আংটির ছিদ্র দিয়ে এদিক-ওদিক নেয়া যেত। এমনকি ৩০ হাত দীর্ঘ ও ২ হাত প্রস্থ একটি মসলিন খণ্ডের ওজন হত ৪-৫ তোলা ; বাজারে বিক্রি হত ৪০০/৫০০ টাকায়।”

তৎকালীন সময় ঢাকার অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল মসলিন বস্ত্র রপ্তানি। জানা যায়, ১৭৪৭ সালে ঢাকা থেকে প্রায় সাড়ে ২৮ লাখ টাকার কাপড় রপ্তানি করা হয়। আঠার শতকের শেষ দিকেই এই রপ্তানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় কোটি টাকায়। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই হঠাৎ করে ঢাকা থেকে বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করা হলে ঢাকার ব্যাবসা-বাণিজ্যে এর প্রভাব পরে।

তার উপর ১৮০১ সালে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠে। ফলে ব্যবসা হ্রাস পেতে থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে না পেরে এ সময় বহু বিদেশী বণিক ঢাকা ত্যাগ করে।

ঢাকার বাজারে বিদেশী সুতার আধিক্য ও ইংল্যান্ডের বস্ত্র বিপ্লবের ফলে দিন দিন কমতে থাকে ঢাকাই মসলিনের রপ্তানি। মসলিন ইংল্যান্ডে রপ্তানির কোটি টাকার বাজার ১৮০৭ সালে সাড়ে আট লাখ এবং পরবর্তী ১৮১৩ সালে সাড়ে তিন লাখ টাকায় নেমে আসে।

১৮১৭ সালে এই রপ্তানি প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় ; ঢাকা থেকে কোম্পানির বাণিজ্য কুঠি ও অফিসগুলোও এসময় বিলুপ্ত করা হয়। পরবর্তী ১৮৩৬ সালে শহরের অভ্যন্তরীন শুল্ক তুলে নিলে ঢাকার ব্যবসা-বাণিজ্য আবার জাগতে শুরু করে। ম্যাজিস্ট্রেট হেনরী ওয়াল্টারস ১৮৩০ সালে ঢাকার আদমশুমারিতে ১২৬টি মুসলমান বণিক পরিবার রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

মসলিন ছাড়াও একসময় ঢাকার বাজারে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য, মসল্লা, পোষা ও জংলী জন্তু-পাখি বেচাকেনা হত। জানা যায়, সতের শতকের মাঝামাঝিতেও ঢাকার বাজারে ১৫টি জংলি কবুতরের মূল্য ছিল মাত্র ৪ আনা। তৎকালীন সরকার পান বিক্রি বাবদ প্রাত্যহিক কর পেত প্রায় ৪ হাজার টাকার মত।

ঢাকায় ভারত, আরব, আরমানিয়, ইউরোপ, পাঠান, মারওয়ারি, পারস্য, মালয়, সুমাত্রা, চীন, জাভা, তুরস্ক, ইরান, ফ্রান্স, পর্তুগিজ, ইংল্যান্ড, হল্যান্ড প্রভৃতি দেশ থেকে বিভিন্ন সময় বণিকরা আসা যাওয়া করত। বণিক শ্রেণী ছাড়াও ঢাকায় মহাজন ও মাড়োয়ারি ব্যাঙ্কারদেরও আগমন ঘটে বিভিন্ন সময়।

মোগল শাসনামলে বিভিন্ন স্থান থেকে কারিগর, শিল্পী ও উৎপাদনকারীরা ঢাকায় এসে ব্যবসা খুলে বসে। এদেরকে বসতি স্থাপনের জন্য উৎসাহিত করার জন্য শাসকবর্গ লাখেরাজ জমিও বরাদ্দ করে। সতের শতকের মাঝামাঝি সময় ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো ঢাকার তেজগাঁ এলাকা ঘিরে শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে শুরু করে। ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম ঢাকায় আসে।

অর্থনীতির মূল উপজীব্য অর্থ। টাকা প্রচলনের পূর্বে সতের শতকে সুবেদার শায়েস্তা খানের শাসনকালেও ঢাকায় দাম, দামড়ি, কড়ি, সিক্কা মুদ্রা হিসেবে প্রচলিত ছিল। ঢাকার প্রাচীন নবাবী টাকশালটির সন্ধান পাওয়া যায় ঢাকার বর্তমান জেলাখানার স্থলে সুবেদার ইসলাম খানের দুর্গের মধ্যে।

১৭২২ সাল পর্যন্ত এই টাকশালে মুদ্রা প্রস্তুতের কাজ প্রচলিত ছিল বলে জানা যায়। জেমস টেলরের বর্ণানানুযায়ী ১৭৮৯ সালে ১৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন মূল্যমান ও নামের মুদ্রা ঢাকার বাজারে প্রচলিত ছিল, তারমধ্যে বিভিন্ন মূল্যমানের ১০ ধরনের আর্কট টাকা, তিন ধরণের সিক্কা টাকা এবং তিন ধরনের সানোয়াট টাকা।

পলাশী যুদ্ধের পরবর্তী সময় ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের মত বাংলাও যখন ইংরেজদের কাছে চলে যায় সে সময় থেকেই মূলত ঢাকার অর্থনৈতিক ক্ষয়ের সূচনা। কোম্পানী শাসনামলের সুচনালগ্ন থেকেই ঢাকায় দেখা দেয় বিপর্যয়।

কিছু দিন পরপরই দুর্ভিক্ষ-মহামারিতে শহরের অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। ১৭৮৫ সালে কলের তৈরি বিদেশী সুতার আমদানির ফলে কোন মতে টিকে থাকা বস্ত্র শিল্পেরও মৃত্যু হয়। এতে ঢাকার অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পরে।

ইংরেজ শাসনামলে ঢাকায় অসংখ্য অবাঙালি ভ্রাম্যমাণ বণিক বাণিজ্য করত। এ সকল বণিকরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চন্দন কাঠ, মালার বীচি, নানা রকম ভেষজদ্রব্য, গাছগাছালি স্থানীয় বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসত। আর ব্যবসার উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে তামা, লঙ্কা, সীসা, টিন, বিভিন্ন বস্ত্র সঙ্গে নিয়ে যেত। আফিম, সোরা ও মোড়ার বিনিময়ে তাদের প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহ করত।

জানা যায়, ইংরেজ যুগে ঢাকায় বড়, মাঝারি ও ছোট এই তিন ধরণের বণিক সমাজ ছিল। বড়’রা বিশাল পুঁজির মজুদ নিয়ে ব্যবসা করত। আর মাঝারিরা মূলত কমিশন এজেন্ট হিসেবে দাদন করে পণ্য সরবরাহ ব্যবসা করত।

অপরদিকে তৃতীয় শ্রেণী অর্থাৎ ছোট বণিকরা কমিশন এজেন্ট হিসেবেই দাদন করে পণ্য সরবরাহর ব্যবসা করত। এদের সঙ্গে যুক্ত থাকত স্থানীয় দালাল শ্রেণী। এই দালালরা কুটির শিল্পের কারিগরের কাছ থেকে পণ্য সংগ্রহ করত।

১৭৮৯ সালে ঢাকায় কোম্পানির প্রায় ১০০ দালাল ও পাইকার এ রকম ব্যবসায় জড়িত ছিল বলে জানা যায়। ঢাকার সবচেয়ে পরিশ্রমী ও উদ্যোগী ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ছিল সম্ভবত হিন্দু সাহারা। সাহারা বিভিন্ন সময় নানা ব্যবসা করলেও তাদের মূল ব্যবসা ছিল লবণ, শস্যদানা, সুতি বস্ত্র, কাট ইত্যাদি। এসকল পণ্য তারা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করত।

১৮১৩ সালের পরে ঢাকায় নীল ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বেশকিছু ইউরোপীয়-ব্রিটিশ স্বতন্ত্র ব্যবসায়ী ঢাকায় আসে। অপরদিকে ঢাকায় আগত কোম্পানির কর্মকর্তা-কর্মচারী ইংরেজদের বেতন খুব লোভনীয় ছিল না। তারপরেও তারা কোম্পানীর সবচেয়ে ভাল চাকরি হিসেবে ঢাকাকেই বিবেচিত করত।

কারণ ঢাকায় এলে তারা চাকরির পাশাপাশি স্বাধীনভাবে তাদের নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারত। এসময় নীল ব্যবসা বাণিজ্যের মূল উপকরণ হিসেবে দেখা দেয়।

ব্যবসা-বাণিজ্যে লাভের পরিমাণ কমতে থাকায় আঠার শতকের শেষভাগে বড় বড় ব্যবসায়ী ও ব্যাংকাররা ঢাকা ত্যাগ করতে শুরু করে। তবে কিছু আরমানিয়, গ্রিক, কাশ্মীরী, ইরানী, পাঞ্চাবি ও মারওয়ারি ব্যবসায়ীরা ঢাকায় ব্যবসা তাদের চালিয়ে যেতে থাকে।

এ সময় স্থানীয় বাজারে টিকে থাকা ব্যবসায়িরা বেশ প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে তাদের ব্যবসায়ীক সাফল্য তাদেরকে বেশ ধনাঢ্য করে তোলে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের মাঝে বেশ কিছু সংস্কার প্রচলিত ছিল।

এ সংস্কারগুলোর একটি ছিল- ঢাকায় কোন হিন্দু বণিক ব্যবসায় বিফল হলে অর্থাৎ দেউলিয়া হলে মধ্যাহ্নে তার দরজায় ঘীয়ের একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রকাশ্যে নিজের দেউলিয়া অবস্থা ঘোষণা করতে হত।

পরিতোষ সেনের জিন্দাবাহার গ্রন্থে বিশ শতকে ঢাকার কয়েকটি পণ্যের বাজার দর পাওয়া যায়- “দুই-আড়াই সেরি ইলিশ মাছ ৪ আনা, ২০টা ডিম ২ আনা, শীতকালে ২০ সের দুধ ১ টাকা, ব্রহ্মদেশের সরু সেদ্ধ চাল ৩ টাকা মণ, ১ ভরি সোনার দাম ১৬ টাকা, ৬ কক্ষবিশিষ্ট উনোনওয়ালা বাড়ির ভাড়া ২০ টাকা।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ জীবনের স্মৃতিদীপে উলে খ করেছেন- “১৯২১ সালে কলকাতা থেকে একটি চাকর ও ঠাকুর সঙ্গে নিয়ে ঢাকা যাই। চাকরকে বাজারে পাঠিয়েছিলাম। সে যে মাছ নিয়ে এল তা ছ’সাত জন লোকের খাওয়ার মত।

তাকে বললাম, ‘এত মাছ এনেছিস কেন?’ সে বলল, ‘এই-ই তো চার আনার মাছ। আর কত কম আনব।’ ক্রমে দেখলাম যে ঢাকায় সব রকম খাবার জিনিস কলকাতার তুলনায় আশ্চর্য সস্তা। বড় বড় রুই মাছের পেটি -সের খানেকের বেশী হবে -সাত আট আনা দাম।

মাংসের সের পাঁচ আনা। ঢাকার মিঠাইয়েরও নাম খুব। এদের মধ্যে অমৃতি ও প্রাণহরা সন্দেশ খুবই প্রসিদ্ধ। ঢাকার আর একটি প্রিয় জিনিস বাখরখানি। অনেকটা পরোটার মত; দামেও খুব সস্তা। তখন খাঁটি ঘি পাওয়া যেত। দাম যতদুর মনে পড়ে দু’তিন টাকা পাকি সের।

…খুব ভাল চালের মণ ছিল সাত আট টাকা। সাধারণ ভাল চাল যা ভদ্রলোকমাত্রই খান তার দাম ছিল চার-পাঁচ টাকা মণ। আমি একবার বাজারে খুব ভাল মিহি চাল দেখে ন’ টাকা মণ দরে কিনি। তাতে আমার সহযোগীরা খুব ঠাট্টা করতেন। তখন তাঁরা কল্পনাও করতে পারেননি একদিন একশো টাকা মণ দরে মোটা চাল কিনে খেতে হবে।”

মূর্শেদূল মেরাজ

One Reply to “ঢাকার অর্থনৈতিক অবস্থা”

  1. এ লেখাটি পুরোটা পড়লাম। বানান ভুল বা টাইপিং মিস্টেক বাদ দিলে এটি একটি ভাল মানের লেখা। ঢাকার টাকশাল থেকে যেসব মুদ্রা বের হয়েছিল এগুলোর একটু উল্লেখ করলে ভাল হতো। লেখাটির শেষ দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইতিহাসবিদ ড. রমেশচন্দ্র মজুমদারের লেখা ‘জীবনের স্মৃতিদীপে’ বইটি আমার পড়ার খুব আগ্রহ।বইটি যদি লেখকের কাছে থেকে থাকে তা’হলে আমি তাঁর কাছ থেকে এর একটি কপি করে নিতে চাই। অন্য কারোর কাছে থাকলেও যদি আওয়াজ দেন আমি যোগাযোগ করে সংগ্রহ করে নিব এবং তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো। লেখককে ধন্যবাদ। সবার জন্য শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

1 + two =

এই শহর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে তথ্য-উপাত্ত্য সংগ্রহ করেছি গত এক দশকের বেশি সময় ধরে তা নিয়ে কিছু একটা করবার ইচ্ছে ছিল বহুদিন ধরেই। নানা…

error: Content is protected !!